আজ - শুক্রবার, ২৫ মে, ২০১৮ ইং | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ: 

২০২১ সালের মধ্যে পিরোজপুরে শতভাগ মানুষ সুপেয় পানির আওতায় আসবে

পিরোজপুর প্রতিনিধি : জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চলতি অর্থ বছরে পিরোজপুরে ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও টয়লেট নির্মাণ করছে। ২০০৮-০৯ অর্থ বছর থেকে চলতি অর্থ বছর পর্যন্ত পিরোজপুরে সুপেয় পানির সু ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন জনকল্যানমূলক কর্মকান্ডে ৩৮ কোটি ১৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরের পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্প এর আওতায় জেলার ৭ উপজেলার ৫২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১৭৬টি পানির উৎস তৈরি, জাতীয় স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৯শত সেট স্বল্পব্যয়ী টয়লেট ও ৪টি কমিউনিটি টয়লেট সরবরাহ ও স্থান, ৪০ টি পৌরসভা ও গ্রোথ সেন্টারে পানি সরবরাহ এবং এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্প ২য় পর্ব এর আওতায় ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপন এবং পিইডিপি প্রকল্পের-৩ এর আওতায় ১০টি ওয়াস ব্লক স্থাপনের কাজ আগামী জুনে সমাপ্ত হবে বলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পিরোজপুর এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের একটি সূত্রে জানিয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২০০৯ সালে ২ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০ কিলোমিটার পাইপ লাইন সংস্কার, ৪শত ৪১টি পানির উৎস স্থাপন এবং ১ হাজার ৮শত ৪০ সেট স্বল্প ব্যয়ী টয়লেট, ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ২ কোটি ৫৩ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয়ে পিরোজপুর শহরে একটি ওভারহেড ট্যাঙ্কসহ অন্যান্য জনকল্যানমূলক কাজ, ২০১০-১১ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৩৩ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা ব্যয়ে পিরোজপুর শহরে একটি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান নির্মান সহ বিভিন্ন পানির উৎস তৈরি, ২০১১-২০১২ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৬৭ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা ব্যয়ে পানি সরবরাহের জন্য ৪০ কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপনসহ অন্যান্য পানির উৎস ও স্যানিটেশন কাজ   ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ৩ কোটি ৪৩ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার পাইপ লাইন নির্মানসহ অন্যান্য পানির উৎস ও স্যানিটেশন, ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ৭ কোটি ৯০ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি ওভারহেড ট্যাঙ্ক, ২০ কিলোমিটার পাইপ লাইন, ১টি জেনারেটন হাউজ, ৬টি পুকুর পুন খননসহ বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন কাজ, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৩৭ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ১০টি পুকুর পুন:খনন, ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পাবলিক টয়লেট পানির উৎস নির্মান ও স্থান করেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হুমায়ুন কবির বাসস কে জানান, এ জেলায় এখন ৭৩.০৪ শতাংশ মানুষকে সুপেয় পানির আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং ২০২১ সালের মধ্যে এ জেলার শতভাগ মানুষ সুপেয় পানির সুবিধা পাবে। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা আসার আগে ২০০৮ সালে সুপেয় পানির আওতায় মাত্র ৫৭.৫৫ শতাংশ মানুষ ছিল।


প্রকাশ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১১:০২:৫০ পুর্বাহ্ন



 
Advertise