আজ - শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ ইং | ৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ: 

নেপালে বাংলাদেশী বিমান বিধ্বস্ত ‍॥ উদ্ধার কাজে সেনাবাহিনী : ৩৬ বাংলাদেশীসহ নিহত ৫০

নিউজ ডেস্ক : ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত বাংলাদেশি বিমান। ঢাকা থেকে কাঠামান্ডু যাচ্ছিল ইউএস-বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমানটি। কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের ঠিক আগেই বিমানটি ‘অনিয়ন্ত্রিত’ হয়ে পড়ে বলে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রের খবর। রানওয়ের কাছে একটি ফুটবল মাঠে সেটি ক্র্যাশ ল্যান্ডিং করে। আগুন ধরে যায় গোটা বিমানে। ৫০ যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। এর মধ্যে বংলাদেশী ৩৬ জন।
ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তরফে মুখপাত্র প্রেমনাথ ঠাকুর জানিয়েছেন, বাংলাদেশি বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী ছিলেন। ছিলেন ৪ ক্রু মেম্বার। অর্থাৎ মোট ৭১ আরোহী। বিমানে যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন, পুরুষ ৩৭ জন, নারী ২৮ জন এবং দুটি শিশু। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ৩২ জন, নেপালি নাগরিক ৩৩ জন, মালদ্বীপের একজন এবং চীনা একজন নাগরিক ছিলেন।
যে ভাবে প্রায় ধ্বংসস্তৃপে পরিণত হয়েছে বিমানটি এবং যে রকম লেলিহান শিখা গ্রাস করেছিল সেটিকে, তাতে অধিকাংশ আরোহীর মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হয়।
১৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পরে বিধ্বস্ত বিমান থেকে বাকি যাত্রীদের বার করে আনার কাজও শুরু করে উদ্ধারকারী দল। তবে তাঁদের কেউ আর জীবিত কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইতিমধ্যেই অনেকগুলি দগ্ধ মৃতদেহ বার করে এনেছে উদ্ধারকারী দল। ৫০ জনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়।
ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটল, তা স্পষ্ট নয়। অবতরণের আগে বিমানের চাকায় গোলোযোগ দেখা দিয়েছিল বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। অবতরণের আগেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায় বলে, অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।
বিমানটি দুপুর ২টো ৪০ পর্যন্ত কলকাতা বিমানবন্দরের এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) আওতায় ছিল বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা এটিসি-র আওতা থেকে বেরিয়ে ১৮ কিলোমিটার যাওয়ার পর বিমানটি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় বলে কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রের খবর।


প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০১৮, ৮:০৩:৫৬ পুর্বাহ্ন



 
Advertise