আজ - বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১৮ ইং | ৭ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ: 

আশাশুনির চিংড়ী ঘেরে ভাইরাস চাষীরা ব্যাংক ওএনজিও ঋনে জর্জরিত

সাতক্ষীরা -’’সাদাখনি’’’ বলে পরিচিত আশাশুনির চিংড়ী ঘের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।ঘের থেকে চিংড়ী ধরা শুরু হওয়ার পর পরই ভাইরাসের আক্রমন দেখা দেয়।গত এক যুগের বেশী সময় ধরে আশাশুনিতে চলছে চিংড়ী চাষ। বিদেশে রফতানি শুরু হওয়ার পর ’৮০ সাল থেকে এই উপজেলায় ব্যাপক ভাবে চিংড়ী চাষ শুরু হয়।অধিকাংশ ধানের জমিতে ধানের চাষ বাদ দিয়ে শুরু হয় চিংড়ী চাষ।এতে চাষীরা লাভবান হয় আর উপজেলার নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে এসেছিল আর্থিক সচ্চলতা।কিন্তু ১৯৯৫ সালে এ উপজেলায় প্রথম চিংড়ী চাষে বিপর্যয় দেকা দেয়।ঐ বছর উপজেলার কিছু কিছু ঘেরে মৌসুমের শেষের দিকে ভাইরাস আক্রান্ত হয়।সেখান থেকে ভাইরাস আক্রান্ত হলে এর কারন ও প্রতিকার উৎঘটিত হয়নি।গত মৌসুমে চিংড়ী চাষে কিছুটা সফলতা দেখা দেয়।ফলে চলতি মৌসুমে আরো বেশী জমিতে চিংড়ী চাষ করে চাষীরা। গত কয়েক বছরের লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার জন্য চাষীরা সহায় সম্বল বিক্রয় করে চিংড়ী চাষ শুরু করে।মৌসুমের শুরুতে কোন রকম বিপর্যয় ঘটেনি। কিন্তু হঠাৎ করে উপজেলার অধিকাংশ ঘেরে ভাইরাস আক্রমন দেখা দিয়েছে।ভাইরাসির কারন হিসাবে বলা হয়েছে পানি কমে যাওয়া,লবনাক্ততা ও উষ্ণতা বৃদ্ধির কারনে চিংড়ী ঘেরে ভাইরাসের আক্রমন দেখা দিয়েছে। উপজেলা মৎস্য অফিসের হিসাব অনুয়ায়ীউপজেলায় ১৩৩৩৩ হেক্টর জমিতে চিংড়ি ঘেরের সংখ্যা প্রায় চার হাজার তিন শত।প্রতি বছর প্রায় তিন হাজার ৫ মত মেট্রিক টন চিংড়ী উৎপাদিত হয়।আর এথেকে বৈদেশিক মুদ্রা আসে প্রায় কয়েক শত কোটি টাকা।কিন্তু চলতি মৌসুমে চিংড়ী ঘেরে ভাইরাস আক্রমন হওয়ায় চিংড়ী থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কমে আসতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। চিংড়ী চাষ এলাকা ঘুরে এবং চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চিংড়ী পোনা ছাড়ার পর ওজন ২০ থেকে ৩০ গ্রাম হলেই বাইরাসোক্রান্ত হচ্ছে। বর্তমানে ভাইরাস মারাত্মকাকার ধারন না করলেও ভাইরাস প্রতিরোধের কোন ব্যাবস্থা না থাকায় চাষীরা হতাশ গ্রস্থ হয়ে পড়ছে।অন্য দিকে চিংড়ী উৎপাদন শুরু হলেও চাষীরা প্রকৃত মূল্য পাচ্ছে না।অপর দিকে ব্যাংক ও এন,জি,ও থেকে ঋন নিয়ে চিংড়ী চাষ করে লোক সান হওয়ায় ঋন পরিশোধ করতে পারবে না বিধায় হতাশ গ্রস্ত হয়ে পড়েছৈ।

প্রকাশ: ৯ মে ২০১৩, ৮:৫৭:২২ অপরাহ্ন | সর্বশেষ সম্পাদনা: ৯ মে ২০১৩, ৮:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন



 
Advertise