আজ - মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ৪ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ: 

মিরপুরে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে পুলিশ পরিদর্শক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক : সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে রাজধানীর মিরপুরে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জালাল উদ্দিন মারা গেছেন। গত সোমবার রাতে মধ্য পীরেরবাগের একটি বাসায় ডিবির একটি দল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যায়। সেখানে গোলাগুলি হয়। এতে পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীরের মাথায় গুলি লাগে। পরে তাকে উদ্ধার করে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। রাত ১টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের  কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মধ্য পীরেরবাগের ৩ তলা একটি বাড়িতে রাত সাড়ে ১০টার পর  অভিযান চালানো হয়। কয়েকজন সন্ত্রাসী সেখানে অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি করে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন পরিদর্শক মো. জালালউদ্দীন।  জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘটনাস্থল থেকে এক নারী সহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
নিহতের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে বাদ যোহর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার ভোলাপাড়া গ্রামে । সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে জালাল উদ্দিনের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে আইনের আওতায় নিয়ে বিবচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন আইজিপি ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী। গতকাল রাজারবাগে নিহত পুলিশ সদস্যের জানাজা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। নিহত পরিবারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন আইজিপি। জানাজায় আইজিপি, ডিএমপির কমিশনারসহ পুলিশ হেড কোয়োর্টার্স, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।  গোলাগুলির সময় জালাল উদ্দিনের মাথায় গুলি লাগে। এসময় তাকে উদ্বার করে স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে জালাল উদ্দিন মারা যায়।
জালাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। তিনি ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ভোলপাড়া গ্রামের মৃত বিশারত মন্ডল ও মা আয়েশা খাতুনের ছেলে। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে সেই গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম শুরু হয়। গ্রামের লোকজন তাদের বাড়িতে ভিড় করতে থাকে। নিহত জালাল উদ্দীন ৫ ভাই এবং দুই বোনের মধ্যে তৃতীয়। তার দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে তৃপ্তি ঢাকা ভিকারুন্নেছা নূন স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং ছোট মেয়ে তুর্জা একই প্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।


প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০১৮, ৮:০৩:০২ পুর্বাহ্ন



 
Advertise