আজ - শনিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৮ ইং | ৮ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ: 

কমনওয়েলথ এডুকেশন গুড প্রাকটিস এ্যাওয়ার্ড পেল ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝরে পড়া ও স্কুল বহির্ভুত শিশুদের মানসম্মত উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষায় মাল্টিগ্রেড টিচিং লার্নিং (এমজিটিএল) মডেলের জন্য কমনওয়েলথ এডুকেশন গুড প্রাকটিস এ্যাওয়ার্ড ২০১৮ পেল ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। পুরস্কারের ট্রফি এবং কমনওয়েলথ মহাসচিব স্বাক্ষরিত সনদ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশরে প্রধান কার্যালয়ে ইতোমধ্যে এসে পৌঁছায়।
এই অর্জনকে উদযাপন করতে ৯ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিক-২ প্রকল্পের ডিরেক্টর গোলাম ফারুক হামিমের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য, কমনওয়েলথভুক্ত ৫৩টি দেশের মধ্যে এবছর শুধুমাত্র এই মডেলটি স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
দেশের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষায় সৃজনশীল চাহিদাভিত্তিক শিখন-শেখানো পদ্ধতির উদ্ভাবনে ও প্রয়োগে ইতোমধ্যে ইউনিক মাল্টিগ্রেড মডেলটি সকলের দৃষ্টি আকর্ষনে সক্ষম হয়েছে। ২০০৭ সাল থেকে মিশনের ইউনিক প্রকল্পটি মাল্টিগ্রেড শিখন-শেখানো পদ্ধতির মাধ্যমে ঝরে পড়া ও স্কুলের বাইরে থাকা শিশুদের জন্য উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করছে।
ইউনিক মাল্টিগ্রেড মডেলটির বিশেষত্বই হলো শিক্ষার্থীর যোগ্যতাভিত্তিক গ্রেড প্লেসমেন্ট এবং এ্যাসেসমেন্ট। ফলে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীটি তার নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জন করতে পারলেই পরবর্তী গ্রেডে উত্তীর্ণ হতে পারছে। এতে অনেক ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থী বাড়তি সময় ব্যয় না করে শিক্ষার পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর এ শিখন-শিক্ষণ পদ্ধতিটি মিশনের সেকেন্ড চান্স এডুকেশন, ডাম-সিএলসি, ডাম-ম্যারিকো, ইউসিএলসি, জয়ফুল ইত্যাদি কর্মসূচিতেও বর্তমানে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশে শিশুদের জন্য যে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার চারটি বিশেষ মডেল নির্বাচন করে, তার একটি হচ্ছে ইউনিক পাঁচকাজ ভিত্তিক মাল্টিগ্রেড মডেল। পিইডিপি-৩ এর আওতায় সরকার সেকেন্ড চান্স প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে এ মডেলটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝরে পড়া ও স্কুলের বাইরে থাকা শিশুদের জন্য বাস্তবায়ন করছে।


প্রকাশ: ৯ এপ্রিল ২০১৮, ১১:০৪:১৩ অপরাহ্ন



 
Advertise